মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও পূজার চাঁদা আদায়ের জন্য গাড়ি আটকে চালককে মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ ধর্মনগরে!
প্রকাশিত ২ অক্টোবর ২০২৬
Republic Tripura Desk
পুজোর চাঁদা আদায় নিয়ে প্রশাসনের সতর্কবার্তার মধ্যেই ধর্মনগরে পণ্যবাহী গাড়ি আটকে টাকা দাবির অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ, অসমের নগাঁও থেকে আগরতলার গুল বাজারের উদ্দেশ্যে কাঁচা মরিচ নিয়ে আসা একটি বোলেরো পিকআপ গাড়ি রাত দেড়টা নাগাদ ধর্মনগরের চন্দ্রপুর এলাকার এক স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা মিলে আটক করে। বোলেরো গাড়িটির নম্বর AS02EC 4818।
গাড়ি চালক ফারুক হোসেনের অভিযোগ, চন্দ্রপুরের স্থানীয় ক্লাবের কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর কাছে ৫ হাজার টাকা পুজোর চাঁদা দাবি করেন। চালকের দাবি, টাকা দিতে অস্বীকার করায় গাড়ি টিকে অন্য এক রাস্তায় নিয়ে যাওয়ার জন্য জোর করে পরবর্তীতে গাড়ি চালক ও ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে তাঁকে মারধর করে এবং গাড়িতে ও ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করেন গাড়ির চালক। দীর্ঘ সময় গাড়ি আটকে থাকায় কাঁচা মরিচ নষ্ট হতে শুরু করেছে বলে জানান গাড়ির চালক।
ঘটনার পর ধর্মনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে উপযুক্ত তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন গাড়ির চালক ফারুক হোসেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুজোর চাঁদার নামে রাস্তায় যানবাহন আটকে টাকা আদায় না করার নির্দেশ ও সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও এমন অভিযোগ সামনে আসায় প্রশ্ন উঠছে—নির্দেশ কি শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ, নাকি তার বাস্তব প্রয়োগও হবে? এই ঘটনায় পুলিশি তদন্তেই স্পষ্ট হবে গাড়ি আটকের প্রকৃত কারণ, টাকা দাবির বিষয়টি এবং মারধর-ভাঙচুরের অভিযোগের সত্যতা।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে আন্তঃরাজ্য পণ্যবাহী যান চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলের। এখন নজর ধর্মনগর পুলিশের তদন্ত ও প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপে।